কুরআনের বাংলা অনুবাদ

কুরআন আল হাকিম

الْقُرْآن الْحَكِيمٌ

Home               Contact Us               Index               Previous               Next

Bengali Translation by Mufti Mohammad Mohiuddin Khan

Surah Maryam

Paperback Edition

Electronic Version

 

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

1.

কাফ-হা-ইয়া-আইন-সাদ

2.

এটা আপনার পালনকর্তার অনুগ্রহের বিবরণ তাঁর বান্দা যাকারিয়ার প্রতি

3.

যখন সে তাঁর পালনকর্তাকে আহবান করেছিল নিভৃতে

4.

সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা আমার অস্থি বয়স-ভারাবনত হয়েছে; বার্ধক্যে মস্তক সুশুভ্র হয়েছে;

হে আমার পালনকর্তা! আপনাকে ডেকে আমি কখনও বিফলমনোরথ হইনি

5.

আমি ভয় করি আমার পর আমার স্বগোত্রকে

এবং আমার স্ত্রী বন্ধ্যা; কাজেই আপনি নিজের পক্ষ থেকে আমাকে এক জন কর্তব্য পালনকারী দান করুন

6.

সে আমার স্থলাভিষিক্ত হবে ইয়াকুব বংশের

এবং হে আমার পালনকর্তা, তাকে করুন সন্তোষজনক

7.

হে যাকারিয়া, আমি তোমাকে এক পুত্রের সুসংবাদ দিচ্ছি, তার নাম হবে ইয়াহইয়া

ইতিপূর্বে এই নামে আমি কারও নাম করণ করিনি

8.

সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা কেমন করে আমার পুত্র হবে

অথচ আমার স্ত্রী যে বন্ধ্যা, আর আমিও যে বার্ধক্যের শেষ প্রান্তে উপনীত

9.

তিনি বললেনঃ এমনিতেই হবে

তোমার পালনকর্তা বলে দিয়েছেনঃ এটা আমার পক্ষে সহজ

আমি তো পুর্বে তোমাকে সৃষ্টি করেছি এবং তুমি কিছুই ছিলে না

10.

সে বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমাকে একটি নির্দশন দিন

তিনি বললেন তোমার নিদর্শন এই যে, তুমি সুস্থ অবস্থায় তিন দিন মানুষের সাথে কথাবার্তা বলবে না

11.

অতঃপর সে কক্ষ থেকে বের হয়ে তার সম্প্রদায়ের কাছে

এল এবং ইঙ্গিতে তাদেরকে সকাল সন্ধ্যায় আল্লাহকে স্মরণ করতে বললঃ

12.

হে ইয়াহইয়া দৃঢ়তার সাথে এই গ্রন্থ ধারণ কর

আমি তাকে শৈশবেই বিচারবুদ্ধি দান করেছিলাম

13.

এবং নিজের পক্ষ থেকে আগ্রহ ও পবিত্রতা দিয়েছি

সে ছিল পরহেযগার

14.

পিতা-মাতার অনুগত

এবং সে উদ্ধত, নাফরমান ছিল না

15.

তার প্রতি শান্তি-যেদিন সে জন্মগ্রহণ করে এবং যেদিন মৃত্যুবরণ করবে এবং যেদিন জীবিতাবস্থায় পুনরুত্থিত হবে

16.

এই কিতাবে মারইয়ামের কথা বর্ণনা করুন,

যখন সে তার পরিবারের লোকজন থেকে পৃথক হয়ে পূর্বদিকে এক স্থানে আশ্রয় নিল

17.

অতঃপর তাদের থেকে নিজেকে আড়াল করার জন্যে সে পর্দা করলো

অতঃপর আমি তার কাছে আমার রূহ প্রেরণ করলাম, সে তার নিকট পুর্ণ মানবাকৃতিতে আত্নপ্রকাশ করল

18.

মারইয়াম বললঃ আমি তোমা থেকে দয়াময়ের আশ্রয় প্রার্থনা করি যদি তুমি আল্লাহভীরু হও

19.

সে বললঃ আমি তো শুধু তোমার পালনকর্তা প্রেরিত,

যাতে তোমাকে এক পবিত্র পুত্র দান করে যাব

20.

মরিইয়াম বললঃ কিরূপে আমার পুত্র হবে,

যখন কোন মানব আমাকে স্পর্শ করেনি এবং আমি ব্যভিচারিণীও কখনও ছিলাম না?

21.

সে বললঃ এমনিতেই হবে

তোমার পালনকর্তা বলেছেন, এটা আমার জন্যে সহজ সাধ্য

এবং আমি তাকে মানুষের জন্যে একটি নিদর্শন ও আমার পক্ষ থেকে অনুগ্রহ স্বরূপ করতে চাই

এটা তো এক স্থিরীকৃত ব্যাপার

22.

অতঃপর তিনি গর্ভে সন্তান ধারণ করলেন এবং তসহ এক দূরবর্তী স্থানে চলে গেলেন

23.

প্রসব বেদনা তাঁকে এক খেজুর বৃক্ষ-মূলে আশ্রয় নিতে বাধ্য করল

তিনি বললেনঃ হায়, আমি যদি কোনরূপে এর পূর্বে মরে যেতাম এবং মানুষের স্মৃতি থেকে বিলুপ্ত হয়ে, যেতাম!

24.

অতঃপর ফেরেশতা তাকে নিম্নদিক থেকে আওয়ায দিলেন যে, তুমি দুঃখ করো না তোমার পালনকর্তা তোমার পায়ের তলায় একটি নহর জারি করেছেন

25.

আর তুমি নিজের দিকে খেজুর গাছের কান্ডে নাড়া দাও, তা থেকে তোমার উপর সুপক্ক খেজুর পতিত হবে

26.

যখন আহার কর, পান কর এবং চক্ষু শীতল কর

যদি মানুষের মধ্যে কাউকে তুমি দেখ, তবে বলে দিওঃ আমি আল্লাহর উদ্দেশে রোযা মানত করছি

সুতরাং আজ আমি কিছুতেই কোন মানুষের সাথে কথা বলব না

27.

অতঃপর তিনি সন্তানকে নিয়ে তার সম্প্রদায়ের কাছে উপস্থিত হলেন

তারা বললঃ হে মারইয়াম, তুমি একটি অঘটন ঘটিয়ে বসেছ

28.

হে হারূণ-ভাগিনী, তোমার পিতা অস ব্যক্তি ছিলেন না এবং তোমার মাতাও ছিল না ব্যভিচারিনী

29.

অতঃপর তিনি হাতে সন্তানের দিকে ইঙ্গিত করলেন

তারা বললঃ যে কোলের শিশু তার সাথে আমরা কেমন করে কথা বলব?

30.

সন্তান বললঃ আমি তো আল্লাহর দাস তিনি আমাকে কিতাব দিয়েছেন এবং আমাকে নবী করেছেন

31.

আমি যেখানেই থাকি, তিনি আমাকে বরকতময় করেছেন

তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন, যতদিন জীবিত থাকি, ততদিন নামায ও যাকাত আদায় করতে

32.

এবং জননীর অনুগত থাকতে

এবং আমাকে তিনি উদ্ধত ও হতভাগ্য করেননি

33.

আমার প্রতি সালাম যেদিন আমি জন্মগ্রহণ করেছি, যেদিন মৃত্যুবরণ করব এবং যেদিন পুনরুজ্জীবিত হয়ে উত্থিত হব

34.

এই মারইয়ামের পুত্র ঈসা

সত্যকথা, যে সম্পর্কে লোকেরা বিতর্ক করে

35.

আল্লাহ এমন নন যে, সন্তান গ্রহণ করবেন,

তিনি পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা,

তিনি যখন কোন কাজ করা সিদ্ধান্ত করেন, তখন একথাই বলেনঃ হও

এবং তা হয়ে যায়

36.

তিনি আরও বললেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ আমার পালনকর্তা ও তোমাদের পালনকর্তা অতএব, তোমরা তার এবাদত কর

এটা সরল পথ

37.

অতঃপর তাদের মধ্যে দলগুলো পৃথক পৃথক পথ অবলম্বন করল

সুতরাং মহাদিবস আগমনকালে কাফেরদের জন্যে ধবংস

38.

সেদিন তারা কি চমকার শুনবে এবং দেখবে, যেদিন তারা আমার কাছে আগমন করবে

কিন্তু আজ জালেমরা প্রকাশ্য বিভ্রান্তিতে রয়েছে

39.

আপনি তাদেরকে পরিতাপের দিবস সম্পর্কে হুশিয়ার করে দিন যখন সব ব্যাপারের মীমাংসা হয়ে যাবে

এখন তারা অনবধানতায় আছে এবং তারা বিশ্বাস স্থাপন করছে না

40.

আমিই চুড়ান্ত মালিকানার অধিকারী হব পৃথিবীর এবং তার উপর যারা আছে তাদের এবং আমারই কাছে

তারা প্রত্যাবর্তিত হবে

41.

আপনি এই কিতাবে ইব্রাহীমের কথা বর্ণনা করুন

নিশ্চয় তিনি ছিলেন সত্যবাদী, নবী

42.

যখন তিনি তার পিতাকে বললেনঃ

হে আমার পিতা, যে শোনে না, দেখে না এবং তোমার কোন উপকারে আসে না, তার এবাদত কেন কর?

43.

হে আমার পিতা, আমার কাছে এমন জ্ঞান এসেছে; যা তোমার কাছে আসেনি,

সুতরাং আমার অনুসরণ কর, আমি তোমাকে সরল পথ দেখাব

44.

হে আমার পিতা, শয়তানের এবাদত করো না

নিশ্চয় শয়তান দয়াময়ের অবাধ্য

45.

হে আমার পিতা, আমি আশঙ্কা করি, দয়াময়ের একটি আযাব তোমাকে স্পর্শ করবে, অতঃপর তুমি শয়তানের সঙ্গী হয়ে যাবে

46.

পিতা বললঃ যে ইব্রাহীম, তুমি কি আমার উপাস্যদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছ?

যদি তুমি বিরত না হও, আমি অবশ্যই প্রস্তরাঘাতে তোমার প্রাণনাশ করব

তুমি চিরতরে আমার কাছ থেকে দূর হয়ে যাও

47.

ইব্রাহীম বললেনঃ তোমার উপর শান্তি হোক,

আমি আমার পালনকর্তার কাছে তোমার জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করব

নিশ্চয় তিনি আমার প্রতি মেহেরবান

48.

আমি পরিত্যাগ করছি তোমাদেরকে এবং তোমরা আল্লাহ ব্যতীত যাদের এবাদত কর তাদেরকে; আমি আমার পালনকর্তার এবাদত করব

আশা করি, আমার পালনকর্তার এবাদত করে আমি বঞ্চিত হব না

49.

অতঃপর তিনি যখন তাদেরকে এবং তার আল্লাহ ব্যতীত যাদের এবাদত করত, তাদের সবাইকে পরিত্যাগ করলেন,

তখন আমি তাকে দান করলাম ইসহাক ও ইয়াকুব

এবং প্রত্যেককে নবী করলাম

50.

আমি তাদেরকে দান করলাম আমার অনুগ্রহ এবং তাদেরকে দিলাম সমুচ্চ সুখ্যাতি

51.

এই কিতাবে মূসার কথা বর্ণনা করুন,

তিনি ছিলেন মনোনীত এবং তিনি ছিলেন রাসূল, নবী

52.

আমি তাকে আহবান করলাম তূর পাহাড়ের ডান দিক থেকে এবং গুঢ়তত্ত্ব আলোচনার উদ্দেশে তাকে নিকটবর্তী করলাম

53.

আমি নিজ অনুগ্রহে তাঁকে দান করলাম তাঁর ভাই হারুনকে নবীরূপে

54.

এই কিতাবে ইসমাঈলের কথা বর্ণনা করুন,

তিনি প্রতিশ্রুতি পালনে সত্যাশ্রয়ী এবং তিনি ছিলেন রসূল, নবী

55.

তিনি তাঁর পরিবারবর্গকে নামায ও যাকাত আদায়ের নির্দেশ দিতেন

এবং তিনি তাঁর পালনকর্তার কাছে পছন্দনীয় ছিলেন

56.

এই কিতাবে ইদ্রীসের কথা আলোচনা করুন, তিনি ছিলেন সত্যবাদী নবী

57.

আমি তাকে উচ্চে উন্নীত করেছিলাম

58.

এরাই তারা-নবীগণের মধ্য থেকে যাদেরকে আল্লাহ তাআলা নেয়ামত দান করেছেন এরা আদমের বংশধর এবং যাদেরকে আমি নূহের সাথে নৌকায় আরোহন করিয়েছিলাম,

তাদের বংশধর, এবং ইব্রাহীম ও ইসরাঈলের বংশধর

এবং যাদেরকে আমি পথ প্রদর্শন করেছি ও মনোনীত করেছি, তাদের বংশোদ্ভূত

তাদের কাছে যখন দয়াময় আল্লাহর আয়াতসমূহ পাঠ করা হত, তখন তারা সেজদায় লুটিয়ে পড়ত এবং ক্রন্দন করত

59.

অতঃপর তাদের পরে এল অপদার্থ পরবর্তীরা

তারা নামায নষ্ট করল এবং কুপ্রবৃত্তির অনুবর্তী হল

সুতরাং তারা অচিরেই পথভ্রষ্টতা প্রত্যক্ষ করবে

60.

কিন্তু তারা ব্যতীত, যারা তওবা করেছে, বিশ্বাস স্থাপন করেছে সুতরাং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে

এবং তাদের উপর কোন জুলুম করা হবে না

61.

তাদের স্থায়ী বসবাস হবে যার ওয়াদা দয়াময় আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে অদৃশ্যভাবে দিয়েছেন

অবশ্যই তাঁর ওয়াদার তারা পৌঁছাবে

62.

তারা সেখানে সালাম ব্যতীত কোন অসার কথাবার্তা শুনবে না

এবং সেখানে সকাল-সন্ধ্যা তাদের জন্যে রুযী থাকবে

63.

এটা ঐ জান্নাত যার অধিকারী করব আমার বান্দাদের মধ্যে পরহেযগারদেরকে

64.

(জিব্রাইল বললঃ) আমি আপনার পালনকর্তার আদেশ ব্যতীত অবতরণ করি না,

যা আমাদের সামনে আছে, যা আমাদের পশ্চাতে আছে এবং যা এ দুই-এর মধ্যস্থলে আছে,

সবই তাঁর এবং আপনার পালনকর্তা বিস্মৃত হওয়ার নন

65.

তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডলে এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবার পালনকর্তা

সুতরাং তাঁরই বন্দেগী করুন এবং তাতে দৃঢ় থাকুন আপনি

কি তাঁর সমনাম কাউকে জানেন?

66.

মানুষ বলেঃ আমার মৃত্যু হলে পর আমি কি জীবিত অবস্থায় পুনরুত্থিত হব?

67.

মানুষ কি স্মরণ করে না যে, আমি তাকে ইতি পূর্বে সৃষ্টি করেছি এবং সে তখন কিছুই ছিল না

68.

সুতরাং আপনার পালনকর্তার কসম, আমি অবশ্যই তাদেরকে এবং শয়তানদেরকে একত্রে সমবেত করব,

অতঃপর অবশ্যই তাদেরকে নতজানু অবস্থায় জাহান্নামের চারপাশে উপস্থিত করব

69.

অতঃপর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের মধ্যে যে দয়াময় আল্লাহর সর্বাধিক অবাধ্য আমি অবশ্যই তাকে পৃথক করে নেব

70.

অতঃপর তাদের মধ্যে যারা জাহান্নামে প্রবেশের অধিক যোগ্য, আমি তাদের বিষয়ে ভালোভাবে জ্ঞাত আছি

71.

তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে তথায় পৌছবে না

এটা আপনার পালনকর্তার অনিবার্য ফায়সালা

72.

অতঃপর আমি পরহেযগারদেরকে উদ্ধার করব

এবং জালেমদেরকে সেখানে নতজানু অবস্থায় ছেড়ে দেব

73.

যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট আয়াতসমূহ তেলাওয়াত করা হয়, তখন কাফেররা মুমিনদেরকে বলেঃ

দুই দলের মধ্যে কোনটি মর্তবায় শ্রেষ্ঠ এবং কার মজলিস উত্তম?

74.

তাদের পূর্বে কত মানব গোষ্ঠীকে আমি বিনাশ করেছি, তারা তাদের চাইতে সম্পদে ও জাঁক-জমকে শ্রেষ্ঠ ছিল

75.

বলুন, যারা পথভ্রষ্টতায় আছে, দয়াময় আল্লাহ তাদেরকে যথেষ্ট অবকাশ দেবেন;

এমনকি অবশেষে তারা প্রত্যক্ষ করবে যে বিষয়ে তাদেরকে ওয়াদা দেয়া হচ্ছে, তা আযাব হোক অথবা কেয়ামতই হোক

সুতরাং তখন তারা জানতে পারবে কে মর্তবায় নিকৃষ্ট ও দলবলে দূর্বল

76.

যারা সপথে চলে আল্লাহ তাদের পথপ্রাপ্তি বৃদ্ধি করেন

এবং স্থায়ী সকর্মসমূহ তোমার পালনকর্তার কাছে সওয়াবের দিক দিয়ে শ্রেষ্ঠ এবং প্রতিদান হিসেবেও শ্রেষ্ট

77.

আপনি কি তাকে লক্ষ্য করেছেন যে, আমার নিদর্শনাবলীতে বিশ্বাস করে না

এবং বলেঃ আমাকে অর্থ-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি অবশ্যই দেয়া হবে

78.

সে কি অদৃশ্য বিষয় জেনে ফেলেছে,

অথবা দয়াময় আল্লাহর নিকট থেকে কোন প্রতিশ্রুতি প্রাপ্ত হয়েছে?

79.

না, এটা ঠিক নয়

সে যা বলে আমি তা লিখে রাখব এবং তার শাস্তি দীর্ঘায়িত করতে থাকব

80.

সে যা বলে, মৃত্যুর পর আমি তা নিয়ে নেব এবং সে আমার কাছে আসবে একাকী

81.

তারা আল্লাহ ব্যতীত অন্যান্য ইলাহ গ্রহণ করেছে, যাতে তারা তাদের জন্যে সাহায্যকারী হয়

82.

কখনই নয়,

তারা তাদের এবাদত অস্বীকার করবে এবং তাদের বিপক্ষে চলে যাবে

83.

আপনি কি লক্ষ্য করেননি যে, আমি কাফেরদের উপর শয়তানদেরকে ছেড়ে দিয়েছি তারা তাদেরকে বিশেষভাবে (মন্দকর্মে) উৎসাহিত করে

84.

সুতরাং তাদের ব্যাপারে আপনি তাড়াহুড়া করবেন না

আমি তো তাদের গণনা পূর্ণ করছি মাত্র

85.

সেদিন দয়াময়ের কাছে পরহেযগারদেরকে অতিথিরূপে সমবেত করব,

86.

এবং অপরাধীদেরকে পিপাসার্ত অবস্থায় জাহান্নামের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাব

87.

যে দয়াময় আল্লাহর কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যতীত আর কেউ সুপারিশ করার অধিকারী হবে না

88.

তারা বলেঃ দয়াময় আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন

89.

নিশ্চয় তোমরা তো এক অদ্ভুত কান্ড করেছ

90.

হয় তো এর কারণেই এখনই নভোমন্ডল ফেটে পড়বে, পৃথিবী খন্ড-বিখন্ড হবে এবং পর্বতমালা চূর্ণ-বিচুর্ণ হবে

91.

এ কারণে যে, তারা দয়াময় আল্লাহর জন্যে সন্তান আহবান করে

92.

অথচ সন্তান গ্রহণ করা দয়াময়ের জন্য শোভনীয় নয়

93.

নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলে কেউ নেই যে, দয়াময় আল্লাহর কাছে দাস হয়ে উপস্থিত হবে না

94.

তাঁর কাছে তাদের পরিসংখ্যান রয়েছে এবং তিনি তাদেরকে গণনা করে রেখেছেন

95.

কেয়ামতের দিন তাদের সবাই তাঁর কাছে একাকী অবস্থায় আসবে

96.

যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সকর্ম সম্পাদন করে, তাদেরকে দয়াময় আল্লাহ ভালবাসা দেবেন

97.

আমি কোরআনকে আপনার ভাষায় সহজ করে দিয়েছি,

যাতে আপনি এর দ্বারা পরহেযগারদেরকে সুসংবাদ দেন এবং কলহকারী সম্প্রদায়কে সতর্ক করেন

98.

তাদের পূর্বে আমি কত মানবগোষ্ঠীকে ধ্বংস করেছি

আপনি কি তাদের কাহারও সাড়া পান, অথবা তাদের ক্ষীনতম আওয়ায ও শুনতে পান?

*********

Copy Rights:

Zahid Javed Rana, Abid Javed Rana, Lahore, Pakistan

Visits wef 2016

AmazingCounters.com